অমিত পাটোয়ারীর
গুচ্ছ কবিতা
মৃতে ত্রিপদ দোষী
সেবিকার পুনর্জন্ম
১
কোন ওষুধে কত
বেশি
ঘুম
... চিরঘুম
মুখস্থ করেছো সব।
মহানিম
গাছের
তলায়
কালপুরুষের পরপারে ফার্মাসি।
সেইখানে ছাত্রী নার্স
আমাকে কোন আজ-পুরুষের কাহিনী অগোচরে বলো!
আমার দুর্বলতা পাতার
ছায়া
হয়ে
মাটির গালে রাখে
হাত...
২
সারাদিন ছেঁড়া কাটা
রক্ত...
আত্মা মহীষকুমারীর মতো
বেঁচে
থাকে।
মহীষকুমার কাকে কতখানি মেঘভার
দিক
দেবে
তার আয়াত,
কুমারীর বন্ধু, তুমি জানো।
তুমি তার কানে
কানে
দিনরাত
দিনরাত
বলো—
অজল অমিশ্রধারা
এ নয় বেনিয়ার নদী,
তুই এই স্রোত
ছেড়ে
দাঁড়
তুলে
নে...
রামধনু মহিষী আমার!
৩
যেভাবে জন্মের কথা
বলো—
কিশোর কিশোরী ওরা
ঘর থেকে,
নক্ষত্রমন্ডল থেকে ছিটকে নাভিচক্রের অভিসম্পাত
কুড়িয়েছিল একদিন।
এখন জরায়ুর অবিকল
রক্তস্রোতের পরে
কেন
তোমার
অপাঙ্ক্তেয় ধ্বনি প্রিয়?
গুরুপূর্ণিমার
আকাশে
মেঘপাড়
কালোরঙ শাড়ী।
৪
প্রচন্ড দত্তক থেকে বিরত।
এখন
এই তো অভ্যাস
ক্লান্তি
অপচয়
ঘুমিয়ে পড়ো তবু আমাদের
মুখে
ডেকে
চলে
কুনোব্যাঙ
গলায় পেঁচিয়ে ধরে
বিষধর
সাপ।
ব্যাধিগ্রস্ত মানুষেরা সব তোমারই সন্তান
মনে
হয়,
তোমার সাদা পোশাকের প্রতি
কী অসহ্য মোহের
প্রতাপ।
৫
রাজবংশী রাজবংশী রাজবংশী
এই এক ওষ্ঠগত
মজ্জাগত
নুয়ে পড়া মহারাজ
শাখা
নিয়ে
কত
কী
যে
ভাবো,
কত কী চুরি!
স্বপ্নের শল্যচিকিৎসককে
প্রবঞ্চনা দাও,
দংশনে দংশনে তারপর
প্রবোধ...
বিবাহ অবশ্যম্ভাবী।
রায়ডাক, তিস্তারা জানে—
এই সেবিকাজন্ম তোমার
রাজসিক
গুপ্তজল ক্রোধ!

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন