নিমাই জানা

 


বিলীয়মান কৃষ্ণ ও শরীরী উপপাদ্য

##################
প্রতিদিন ঘুমের মতো এক মৃত্যুর বিছানা থেকে উঠে আসার পর আমাদের সব গান্ধর্ব পাঠ শেষ হয়ে গেল



সব পাখিরাই নিম্ন অভিমুখে স্বর্গারোহনের অস্থি ও কঙ্কালময় এক পিচ্ছিল স্ফটিক পথ খুঁজে বেড়ায় ভূমধ্যের অশ্বারোহীর মতো ,
ধ্রুবক কৃষ্ণের শরীর ভেঙ্গে ভেঙ্গে অযুত বিলীয়মান কৃষ্ণ বেরিয়ে আসছে কুরুক্ষেত্র খোঁজার জন্য , এক এক অন্ধকারের শরীর আগ্নেয়গিরির ভেতর থেকে আমাদেরকে ক্রমশ বিরুপাক্ষ করে ফেলছেন
প্রতিদিন মোক্ষহীন শরীর উপপাদ্যের মতো আরও একবার কপর্দক শূন্য হয়ে যায় মরচেহীন জানালার তৃতীয় লিঙ্গ চিহ্নের কাছে
বিশল্যকরণী গাছের গোড়ায় দাঁড়ালে এই ঠোঁটের ভেতর থেকে একটি অভিশাপ নগ্ন জলের বিভাজিকা বেরিয়ে আসে , আমি বরফের পাথরকুচি স্নানাগার দিয়ে পিচ্ছিল করে রাখি স্থুল শরীর ,
এ ধারাপাত অন্ধকারের উপর আমরা শুধু বৃশ্চিক লগ্নের জাতক পুরুষকে খুঁজে চলেছি ঊর্ধ্ব মুখী পুরুষের পঞ্চম মুখ মণ্ডলের উপর , হোমাগ্নি খন্ডের উপর চন্দন কাঠ রাখলাম

এ অশ্বক্ষুরাকৃতি বায়বীয় সমতল ক্ষেত্রে এসো হে ঈশ্বর ,  নিজেদের জীবাশ্ম নিজেরাই চিবিয়ে চিবিয়ে খাই গলিত সর্পগন্ধা পাতা দিয়ে



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন