সমীরণ ঘোষের এক গুচ্ছ কবিতা
ছুট
পাখি থেকে পাখি
খুলে
সমুদ্র বাজাচ্ছে কেউ
তারই বাহুর পোঙ্গল
ধ্বনির লম্বা ভাষাতীর
চারণের লাল দেশ।
ঘূর্ণিকালের
মেঘের ঝুমঝুমি। খুব
মেয়েরা
নেমেছে
হাতির বরফ ঘোরে
শূন্য
সরিয়ে
ঘন হাওয়ার সাইকেল
বাস্তু থেকে পাড়ার
সেলাই
খুলে
যায়
বীক্ষণ
যথেষ্ট সন্দেহ ছাড়াই
নিরক্ষর ধাতুর
মেশিনে
লাল ডাইনিকে পুরে
আফেন্দি দেখছে
পুতুলের কাঠের অভিনয়
নিরর্থক বাটালি উঁচিয়ে র্যাঁদাদের
প্রচুর নিরাশ করছে
ফিসফিসে ছুতোরশালার দেশ
অভিনয় জমছে না
বলে
আরও
ক্ষুব্ধ
অভিনয়ে বোবা কাঠের
থিয়েটার
মেশিনের চোঙ থেকে ডাইনির
উৎকণ্ঠা
দ্রুত পর্দা ফেলে
দেয়
যোজন
টেবিলগুলো মারাত্মক শক্ত আর অবিচ্ছেদ্য হয়ে
যায়
বেজে ওঠা খামোকা
লাল
ঘড়ির
তেষ্টায়
ঘুণের খোশামোদ খুব
নরম
ও
সন্দিগ্ধরকম
উপভোগ করছে পায়ার
উপশম
ওষুধপত্রের শ্বাস আপেলস্তব্ধ। মন্ত্রণার হাওয়ার
ঘরামি
বস্তুর বহুবর্ণ ফেনিয়ে
তুলছে
অসুখের
লোহার
প্রবাদ
মেলানকলি
রোগা হাসুবানু পাপিয়া
মেলছে
কালো
ডালে
কিস্সার আঞ্চলিক। গুল ও গুলফাম
খুব মৈথিলীরঙের ঝড়
হাঁসের
অর্ধেক
অর্ধেক হাসুবানু ছড়ানো
তসবির।
গখের
আঁচড়ের
চাঁদকে চিবিয়ে যাচ্ছে
লালমাথা চাঁদের
কুকুর
অবয়ব
নিরাকারের ভেতর ভারী শূন্যের
হালকালাল অবয়ব দিচ্ছে আফেন্দি
বালিপাহাড়ের নীচে ঠান্ডা লোহাকল
হাসির কিমাম
নেফা ও রজকিনি
অংশত
হাঁসুলিবাগের
আংশিক খয়েরবন ধ্বনির
জঙ্গম
হাঁসের ঢালাই খোঁটে
ফজরের
দানার
নমাজ
ধাতুজমকের চাঁদ বালিমাফিয়ার খুনের
ধারালো
আফেন্দিকে খোঁড়ে আর বাজনার
শূন্য
ফেলে
দেয়
ক্রশটিচ
রক্তগঙ্গা। আর ডাইনিরা। খুব
পরশুতরশুর
খুব সিনেমা দাগছে।
ছেঁকা
লাগে
গন্ধের অদিতি রেখে
গড়ানো
বিকেল
মাংসের উচ্চাশা ঝরনার
যকৃৎ
ফেলে
দেয়
তোলা উনুনের হাসি
ঘূর্ণিপ্রধান
মোমের পুলটিস। জঙ্ঘার
নুনও
গলছে
তোমাকে বোনার শিসে
পুঁজ
ও
পতঙ্গের রাহাজানি
শুঁয়ো ওঠে। শোকে
ও
যৌনে
রেড়িরতেলের কূপি বর্বরের রেডিও
খুলছে
সম্ভাবনা
মাংসের চড়া ডাক
দরজার
শক্ত
প্রতিরোধ
হয়তো কোথাও ভেঙে
দেবে
কাঠের মারাত্মক লাল
অভিব্যক্তিও জানে
সময় মাংসের চেয়ে
যথেষ্ট
প্রেরণাহীন বস্তুপুঞ্জ
মাংসের ছায়ায় হাত
বোলানোর সম্মোহিত কেউ
আর জানলার তীব্র
অসাড়
বাড়িটাকেই
ফুরিয়ে দিচ্ছে রোষে
দরজা ও মাংসের
মাঝে
শ্বাসের অমিলনাত্ম ফোঁস
শক্ত করছে শূন্যের পালান
অন্তর্ঘাত
লম্বা আর্তনাদের ভেতর
সরু ও টিকালো
কোনো
রাস্তা
ফিরবে
সমাধির নির্লিপ্তিও জানে
লোহার আওয়াজের কোনো
বাজনাঘর
কোথাও ঘাপটি মেরে
বসে
ঠান্ডা লন্ঠনের মরুভূমি
আফেন্দিকে বিন্দুমাত্র তিষ্ঠোতে দেয় না
মেরামতি
থকথকে ঘুমের আলনায়
মেলা
হাড়ের
খরগোশ
হয়তো আফেন্দিরই নেভা
আত্মার
দরুদ
পৃষ্ঠায় মুখ গুঁজে হায়ারোগ্লিফিক
,স্ফিংক্সের ছায়াকে
মাজছে
চুরচুরে ধনাত্মক আয়নার কালো জাদুকর
সমাধি মজবুত করে।
আফেন্দির হাড়কে
সারায়
নাটকীয়
কালো করে দেখাও
এক
দেখার
আন্দাজ
সমাধিনির্মাতা
আফেন্দি বালি
তুলে
বালি
তুলে
শূন্যকে অতিবামকিছু ফিরিস্তি দিচ্ছে
হায়নার ছাপ মেপে
চাঁদের
ধূর্ততাও কোথাও
পৌঁছায়
হাড় থেকে মাংস
ছুড়ে
মৃতরাও
খুব
জ্যান্তআবহের
করাতে রাত্রির বু
অতিচেতনার চ্যাটচেটে
লাল প্যানথিয়াম বহুদেবতার স্বরের
থমথমে
শূন্যের যৌনবর্বর আফেন্দির শূন্য হাতড়ায়
ধ্যান
কালো পাথরের শ্লেটে
আরও
অনুভূতিময় কোনো আঁচড় ঘুমিয়ে
চাকার ঘষটানো দাগ
বিন্দুঅব্দি
খসখসে। স্মৃতির শূন্য
আফেন্দি কাঁপছে
পাঞ্জার হাড়ে বসে সমাধির
লাল
কবুতর
সন্দেহ
ডাকের শূন্যে হারানো
উটের
কোনো
ভূমিকা
রয়েছে
ভ্রান্তির জানলায় কাচরঙের আফেন্দি
দ্রুত পর্দা টেনে
দেয়
ঢেউয়ের সংশয় আরও
রেখার
হলদেটে
ভাঙা ডাককে আঁকবে

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন