সম্পাদকীয়

 নয়টি কবিতা নিয়ে “উজ্জ্বল এক ঝাঁক পায়রা” প্রকাশ পেল ঠিক সময়ে – ২০২২য়ের জানুয়ারি ২ তারিখে। আমরা মনে করি বাংলা কবিতার এ এক উজ্জ্বল পদক্ষেপ।

তৃষ্ণা বসাক

 



দেবী সিরিজ/



 

বিশ্বব্রহ্মাণ্ড খিদে/
 
নগ্ন শোয়ানো আছে,
গায়ে একটা নাইটি চাপা দেওয়া
সাদা জমিতে নীল ছোট্ট ছোট্ট ফুল,

ইন্দ্রজিৎ মিত্র

 


গোধূলিবাজার  /


পোস্ট অফিসের নাম ডাকঘর হয়ে গেলে

                                    হাওয়াও বদলে যায় দ্রুত

উড়ে আসে চিঠি ও চাপাটি, ভাগ করে খায়

                                        লোকজন দুপুরবেলায়

মৌমন মিত্র

 


খসড়া /


বার কয়েক থেমে যাই 

থেমে থাকা শব্দ,ছন্দজ্ঞান,স্মৃতিচিঠি,

হয়তো কোনওটাই ছায়ারূপ সৃষ্টি করে না এখন 

হরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

 


মাথা /


কাল রাতেও সাজানো ছিল নদী

ঠিক যেমনটা আমরা পেয়েছিলাম কোনো এক ভোরে

ভেঙে পড়ছে আজ সবকিছু

ডাঃ প্রিয়াঙ্কা মন্ডল

 


সীমান্তবর্তী সংক্রান্ত /


জকাল খুব তাড়াতাড়ি বিকেল হয়ে আসে ,

বালির নীচে জলের শব্দ ভেদ করে

লাল হলুদ কমলা আলো জ্বলে ওঠে

অনুপ মণ্ডল



 সুলিকাটা পথ /


ফণা নামিয়ে এ পথে রোজ সাপ আসে।

অনেক বিবাহ অনেক বিচ্ছেদ

পড়ে থাকে মধ্যযাম,রক্ত ছড়ানো ঐশী কাক

দিশারী মুখোপাধ্যায়




অক্ষর /


অক্ষর নিয়ে কাজ করে একজন এবাড়িতে। অবিরাম,

সারাদিন রাত সে অক্ষরের গায়ে অক্ষর বসায়।লোকে 

এসব লোককে বলে অক্ষরজীবী।

অমিত চক্রবর্তী

 


তৌলবিজ্ঞান /


আমি কি শেষ হয়ে যাচ্ছি?  এ চিন্তা স্বাভাবিক, অবিরাম,

কারণ নিরাশার একটা গুণ আছে, একটা বিশেষ আঘাতছাপ,

কলমকে বাঁধে সম্মোহনে অথবা মোহিনী, মোহিনী মায়ায়।

মেঘনা চট্টোপাধ্যায়

সন্তাপদৈর্ঘ্য

 কখনো কখনো ঘড়ির কাঁটাও বিষাদবস্তু। প্রাচীন ঝুলের পাহাড় নামিয়ে 

কড়িকাঠের ফাঁকে লুকিয়ে পড়ে সূর্য।