সম্পাদকীয়

 


উজ্জ্বলের বয়স দু’মাস পূর্ণ হল। এই দু’মাসেই উজ্জ্বল বাংলা কবিতায় একটা বিশেষ ছাপ রেখেছে, নবীন এবং প্রতিষ্ঠিত কবিদের দারুণ, দারুণ সব নতুন কবিতা তুলে ধরে। যে ভাবে প্রতিষ্ঠিত এবং নবীন কবিরা উজ্জ্বলকে সাফল্যে সাজাতে এগিয়ে এসেছেন, তাতে আমরা সত্যিই আপ্লুত।

তৈমুর খান

 


 

প্রস্তুতি #

  

 তোমার আঁচলে কত নক্ষত্র ফুটেছে

 বিচিত্র আলোর ঝিকিমিকি

 আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখি!

শ্যামশ্রী রায় কর্মকার

 



কী হবে হে হৃদি #


কী হবে হে হৃদি ভাঙা দুনিয়ায় মন চষে

অনেক তো হল, বদলে গিয়েছে  প্রেক্ষাপট  

মোর পাওয়ারের ঠেলায় গিয়েছে  প্রেম খসে

অমিতাভ দাস


 

প্রস্থান পর্ব #
 

মাঝে মাঝে নিজেকে শাসন করতে হয়। ভেঙে গেলে পর তুলে ধরি ওই নতমুখ নিজস্ব আলোয়। এই জন্মের বিস্মৃত অতীত--

সমর সুর

 


হেডমাষ্টারের মেয়ে

 

মেয়েটি শীতের সকালে আইসক্রীম খাবে বলে

দৌড়ে যাচ্ছে বরফকলের দিকে

দেখে,তখনই রোদ উঠলো ঝনঝনিয়ে।

পলাশ দাস

 


শূন্য থেকে  #

 

যেভাবে ফুরিয়ে যায় একটা দিন 

একটা রাত যেভাবে ভোরের শরীরে মিশে যায় 

মিশে যায় চাঁদ খুব ঝকঝকে আলোয় 

সম্পাদকীয় ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২২


 



উজ্জ্বল এক ঝাঁক পায়রার ৩য় সংখ্যা প্রকাশ পেল ঠিক সময়ে (প্রতিমাসের ১ম এবং ৩য় রবিবার) যদিও মাঝে  উজ্জ্বলের নানান অসুবিধে দেখা দিয়েছিল। অসুবিধে ছিল দু'ধরণের। ১) ব্লগস্পট ফ্রি ডোমেইন ব্যবহার করার জন্য ফেসবুক নানান ঝামেলা করছিল ২) সব লেখাই ক্লিক করলে "সম্পাদকীয়" দেখাচ্ছিল। সে দুটো ঝামেলাই ঠিক করা হয়েছে। উজ্জ্বল এখন আসছে নতুন প্রফেশ্যনাল ওয়েব সাইটে। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্যে।

৩য় সংখ্যায় লিখলেন - মীরা  মুখোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, ঊর্ণনাভ চট্টোপাধ্যায়, প্রনব কুমার কুন্ডু (রুদ্র) ও কৌশিক দাশ। ৫টি অসাধারণ কবিতা।

আমরা আবার বলছি আমরা তরুণ কবিদের কাছে লেখার মাঠটা সমতল করে দিতে চাই। ভাল লেখা পাঠান। উজ্জ্বল লুফে নেবে। সামান্য হলেও কিছু সাম্মানিকও দেবে। 

উজ্জ্বল একঝাঁক পায়রা পড়ুন ও পড়ান। প্রকাশিত কবিরা যদি উজ্জ্বলকে প্রচার না করেন, উজ্জ্বল সম্মৃদ্ধিলাভ করতে পারবে না। ভাল কবিতা লেখার পাশাপাশি উজ্জ্বলের প্রচারটাও আপনাদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা।

মীরা মুখোপাধ্যায়

 


আশ্চর্য  এগারো মিনিট


আজ্ঞাচক্র থেকে সেই অমোঘ বার্তাটি 

পিছলে এলে অকালবর্ষণ শুরু হয়

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

 



সব ঠিকানার নির্জনে


 

এইখানে সব ঠিকানার নির্জনে

মিলেমিশে অভিনব স্রোত 

মিঠেকড়া মায়ারঙের পূর্ণ স্তবক

ঊর্ণনাভ চট্টোপাধ্যায়

 


ছুটি

 

মাইলফলক গুলি ফিরে আসছে এক, দুই, তিন

নির্বাসন দন্ড শুধু উপস্থিত মুখ থেকে মুখে

ছড়িয়ে পড়ার আগে গিলে খাচ্ছে প্রত্যহের রোদ

বহ্নিমান ভালোবাসা এবং সেই পর্যাপ্ত শরৎ

ঝুরে ঝুরে নিঃশেষিত, বাতাসে তবুও প্রজাপতি।

কোথায় থমকে আছো ভাঙাচোরা জাদু-বাস্তবতা

নিরক্ষর মানুষেরা অন্ধকার সেলাই করছে আর

দরজার মুখোমুখি বিব্রত নতুন সকাল

আকস্মিক ছুটি এনে দিচ্ছে তাদের জীবনে।

এক নিঃশ্বাসে সেই সুখটুকু সারা গায়ে মেখে

রঙীন পৃথিবী ছেড়ে মুহূর্তে অদৃশ্য হচ্ছে তারা

অথচ আবেগাপ্লুত হয়ে আজ আমরা এখানে

বদলের প্রান্তসীমায় এসে চারাগাছ খুঁজে পাচ্ছি

খুঁজে পাচ্ছি প্রাণোচ্ছল মরমী কবিতা-আশ্বাস

 

প্রনব কুমার কুণ্ডু (রুদ্র)

 


জলঠুংরির মেঘ




গাছের ভিতরে শুয়ে অন্ধকার

জীবন বাড়ির কথা বলতে পারেনা উন্মাদ

জড়বৃক্ষ ডাল-ভাত রুটি-তরকারি কষতে জানেনা