সম্পাদকীয়



    উজ্জ্বলের প্রথম বর্ষ অষ্টম সংখ্যা বেরোল। আগের সংখ্যাতেই বলা হয়েছে যে উজ্জ্বল নতুন প্রকল্পের কথা ভাবছে, এ সংখ্যায় আর একটু বিশদ জানাচ্ছি আমরা।

সমর্পিতা ঘটক

বইমেলা থেকে ফিরে স্বগতোক্তি 

 #########

নির্জনে চলো

এত ভিড়ে অক্ষর নষ্ট হয়

গৌরাঙ্গ মন্ডল

দূর সম্পর্কের কেউ

@@@@@@@@@@
পিঁড়ি পেতে বসে আছি তলে
কুমারীর স্রোতে ও বল্কলে
জল ওঠে, জল কুঞ্জগামী
নিষেধের মহাকর্ষে মিছে নত, মিছে হয়রানি

রাজদীপ ভট্টাচার্য্য

শহরের রাখালেরা

@@@@@@@


শহরের রাখালেরা ফিরে যায় বাঁশিটি হারিয়ে

শহরের রাখালেরা গান গায় সুর-নেই গান 

সে গানের কথাগুলি এতটাই অপ্রচলিত 

শোনে তবু কারু মনে তারবাদ্য মোটেও বাজে না

তপশ্রী পাল

তুমি এলে

========

 

সূর্যকে ঘুম পাড়ানোর পর, কাল বৃষ্টি এলো

মেঘের সাথে অনেক বোঝাপড়ার পর, কাল বৃষ্টি এল

ধৃতিরূপা দাস

 

@@@@@@@@

যদি সে না পারে?

কিছুই না পেরে আসে?
বুকে নিতে ভয় পাব নাকি?

সব্যসাচী মজুমদার

 

প্রতিবাদহীন লেখা  

@@@@@@@@@@@

রজ্বঃ তুলে নিই যদুবংশের শেষে
চিহ্নে চিন্হে তখনও সুদামা জ্বলে
প্রণম্য বিষ,তোমাকে আমার দেশে
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রধান বলে

সম্পাদকীয়

 


প্রকাশিত হল উজ্জ্বল একঝাঁক পায়রা কবিতা পত্রিকার প্রথম বর্ষ সপ্তম সংখ্যা। ধীর ও নিয়মিত গতিতে এগিয়ে চলেছে পত্রিকা।

বাপ্পাদিত্য রায় বিশ্বাস

 


রোদনামচা
#####

একটা অলস সূর্য এসে বসছে সটান বারান্দায়
হাত বাড়িয়ে কাজের দিনে ফাঁকফোকরে ঢুকতে চায়

রাখী সরদার

 


অরুণিমা সান‍্যাল ও একটি বিড়াল
###########
অহোরাত্র কবি মাথা ঠুকে ঠুকে
দুটি মাত্র পঙক্তি লিখেছে -

সুদেষ্ণা দত্ত সাহা

 


ময়ূরাক্ষী
~~~~~


ময়ূরাক্ষী ব্রিজ পেরিয়ে যাচ্ছে। এযাবৎ ভরা নদীতে  নাগরিক ডিপ্রেশন।

দেবাশিস ঘোষ

 


অবাক রাখাল
--------------------------------------
দুঃখবোধগুলো  ঝুলিয়ে দিয়েছি গাছে গাছে
হাওয়ারা আসছে, শুকোচ্ছে