সম্পাদকীয়


এবারের সম্পাদকীয় অমিত চক্রবর্তীর একটি পুরনো কবিতার আখরে .........

#####

সাফল্য ডেকে আনে কপিক্যাট ভিড়। অথবা তারা সবাই

স্বতন্ত্র হতে চেয়েছিল, আর সেই নিজস্ব চেষ্টায় সকলে

এক হয়ে যায়, ধূসর বাদামি হয়ে যায়, তফাত শুধু মাত্রায়, 

চয়ন ভৌমিক

 


মায়াবী চাবুকের শব্দ #####
১)
নির্জন এক চাঁদের মধ্যে ফুটে উঠেছে বাগান;

অকিঞ্চিকর সেইসব রাতে ঘুরে বেড়ায় 
হালকা বাতাসের কথা, আগুনের কথা - 

নীলম সামন্ত

 


পাখি সম্ভার

.........…........ 

দেখতে দেখতে বেলা বেড়ে গেছে অনেক। 

প্রিয়জনের ঘর ফসকে যাবার পর পাখি
নিজেকে আড়াল করে নিচ্ছে গাছের ভেতর৷ 

দেবার্ঘ সেন

 


বাইফোকাল
#######

বুকের ভেতর চেপে রাখতে রাখতে 
ক্রমান্বয়ে কেটে গেছে দিন 

বিকাশ ভট্টাচার্য

 

অদৃশ্য পাঁচিলের দু'ধারে 

###################
অদৃশ্য পাঁচিলের দু'ধারে দাঁড়িয়ে দু"জনের
গাঢ় করমর্দন। দুজনেরই চোখে মুখে 
লেগে আছে ভোরবেলা পুরোদস্তুর 
বুনো গাছপালার মতো ছড়িয়ে পড়েছে 
ভালোলাগার শ্বাসমূলগুলো।

শ্রাবণী গুপ্ত

 


জলের কাছে রাখা আছে শোক
--------------------------


আলো ছেড়ে চলে গেলে যেটুকু বহন করে
হৃদয়ের অনুজ্জ্বল নদী
জড়ো হয়ে পড়ে থাকে
মলিন, অবোধ কারুকাজ
একাকী রঙিন মাছ—

সম্পাদকীয়



পাঁচে পা! না না,  পাঁচপা নয় মোটেই। এ আমাদের প্রথম বর্ষ পঞ্চম সংখ্যা মাত্র। অঙ্গীকার ছিল নতুন কোনো কোন থেকে আলো ফেলবার। পেরেছি কি? কথা দিয়েছিলাম একদঙ্গল মানুষ একসাথে বাঁচবো শুধু কবিতার জন্যে। কথা রেখেছি কি?

অনুপম মুখোপাধ্যায়

 



দুটি কবিতা

আয়নায় নিজের মুখ

#############

আয়নায় যতবার নিজেকে দেখেছি

শরীরের থেকে ছেঁড়া আলাদা সে মুখ

নিলয় নন্দী



নার্সিসিজম 

######

দু চোখ যেদিকে যায় সেদিকেই উড়ে যায় চিঠি

কে লিখলো কাকে লেখা হল এসব অবান্তর

গলে যায় পালকের ওমে। ডানা যাদু জানে। 

অরিন চক্রবর্তী



অশ্বমেধ যজ্ঞ

############


আমি এক অশ্বমেধের ঘোড়া

যজ্ঞের আসনে বসে থাকে প্রেমিকা

কাঞ্চন রায়



প্রচণ্ড একটা শীত ধরে যাওয়া দুপুরে

 ##################

কোনো এক শীত ধরে যাওয়া দুপুর।

খাট আলমারি আসবাবের গায়ে

থেমে যাওয়া গ্লেসিয়ারের ধারা।

অমিত চক্রবর্তী

 

জল, পৃথিবীপরী ###

ব্রহ্মান্ডকে প্রলুব্ধ করবে বলে সে পথে বেরোয়। না জানিয়ে সে চুমুক

দিয়েছে এবার আঁচলা ভরা জল। এঁটো নদী কিন্তু ততক্ষণে মেঘদূত,

অশান্তির বাষ্প হয়ে উড়ে গেছে কোনো এক বিদেশ বিভুঁই। 

মেঘনা চট্টোপাধ্যায়


ভাগশেষ 

#############

চলে যাওয়ার কথাই ছিল। স্রোতও অনুকূল। 

ঝরঝর করে ভেসে যাচ্ছিল চালা,মাচা,খুঁটি,খড়কুটো, 

ঝিনুকবাটি, খোকার গলার তাবিজ, কোমরের বটফল, 

ভাঙা হাতআয়না, পুরনো পাঁজি.... আরো কত কি!